প্রাতঃভ্রমণে এসে বিস্ফোরক ঘোষ

অবতক খবর,১৮ মেঃ বৃহস্পতিবার সকালে নিউটাউন ইকোপার্কে আসেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

১) এগরা কান্ডে লঘু মামলা—-
যে মামলা দিয়েছে তাতে দুশো টাকা ফাইন হতে পারে। ২০/২২ জন মারা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী আড়াই লাখ টাকা ক্ষতিপুরণ ঘোষনা করলেন তাতে দুশো টাকা জরিমানা বা দু মাস জেল। সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে অপরাধীদের উৎসাহ দিচ্ছে। কি করে একটা লোক ধরা পড়ে ছাড়া পেয়ে গেল আবার সেই অপরাধ করছে। ১৮ চাকার ট্রাকে করে মাল আসত গ্রামের মধ্যে। পুলিশ কেন কিছু করেনি। পুলিশের উৎসাহে এই ধরনের কাজ হচ্ছে।

২) এগরায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল বিক্ষোভের মুখে- –
দুর্নীতি ও হিংসার কাজে তৃণমূলের লোকজন যুক্ত। পুলিশকে দিয়েও একই কাজ করাচ্ছে। সারা পশ্চিমবাংলা জুড়েই লোকে তাড়া করছে ও চোর চোর বলছে। তাই পুলিশের সিকিউরিটি নিয়ে ঘুরতে হচ্ছে।

৩) এগরার ঘটনাকে দুর্ভাগ্যজনক বললেন রাজ্যপাল-
উনি প্রশাসনিক প্রধান উনার দায়িত্ব যাতে এই ধরনের ঘটনা না ঘটে। অবাঞ্জিত এই ধরনের ঘটনায় বিদেশী চক্রান্তের হাত উগ্রপন্তি ক্রিয়াক্রলাপ সবধরনের হাত থাকতে পারে। এই বিষয়টা রাজ্যপালের দেখা উচিত। কারণ এই সরকার চায় না সত্য সামনে আসুক।

৪) বেলেঘাটা অভিজিৎ সরকার খুনে দুজন গ্রেফতার সিবিআইয়ের হাতে–
যেভাবে তাকে পিটিয়ে মারা হয়েছে বহু লোক তাতে যুক্ত। আমরা প্রথম থেকেই এটা দাবী করে আসছি এতে বিধায়কও যুক্ত আছে। সবাইকে গ্রেফতার করা উচিত। এখনও এই ধরনের গনপিটুনি গনহত্যা পশ্চিমবাংলায় চলছে।

৫) খড়্গপুরে আপনার বাড়িতে হামলা কুর্মীদের–
এসেছে ঘুরে গেল, দেখে গেল বাংলোটা।

৬) সিবিআই ও ইডি অফিস ঘেরাওয়ের ডাক বিজেপির—
এর আগেও সিবিআই অফিস আমরা ঘেরাও করেছি তদন্ত তাড়াতাড়ি হওয়ার জন্য। যা বিচারপতিও বলেছেন। এতবড় অপরাধ হচ্ছে কিন্তু এখনও কেউ সাজা পায়নি। এখনও রাঘব বোয়ালরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। এখনও অপরাধ চলছে। তাই তাড়াতাড়ি করা উচিত যাতে মানুষের ভরসা জাগে।

৭) ক্যানিং হেরোভাঙায় আক্রান্ত কংগ্রেস নেতারা—

ক্যানিং চিরদিনই উপদ্রুত এলাকা। ভাঙড়ে এসেও গন্ডগোল করছে। ওখানকার বিধায়কও যুক্ত। ওই এলাকা উপদ্রুত বলে কোনও রাজনৈতিক নেতারা যায় না। ভোটের পরে হিংসা হয়েছে। এখনও অনেকে ঘরছাড়া। এইধরনের একটা জায়গাতে পুলিশের কোনও হাত নেই সরকার কিছু করতে চায় না। দুষ্কৃতকারীদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ওই এলাকা।