মালদার কালিয়াচকের গয়েশবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মাধ্যমে শ্রমিকদের স্বাবলম্বী করতে রেজিস্ট্রেশন করার উদ্যোগ

অবতক খবর,৮ সেপ্টেম্বর,মালদা:- মণিপুরের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই মালদার কালিয়াচকের গয়েশবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মাধ্যমে শ্রমিকদের স্বাবলম্বী করতে রেজিস্ট্রেশন করার উদ্যোগ নেওয়া হল। কালিয়াচক ১ ব্লকের গয়েশবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে সপ্তম দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্পে দুঃস্থ শ্রেণীর মানুষ থেকে দিনমজুর পরিবার গুলির আবেদন পত্র গ্রহণ করার কাজ চলে । সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন সদ্য গয়েশবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের দায়িত্ব পাওয়া রহিমা হোসেন সহ সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের সদস্যরা। এই দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মাধ্যমে দিনমজুর পরিবারগুলিকে বিশেষ করে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয় ।

গয়েশবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রহিমা হোসেন নিজে উপস্থিত থেকে অনেক উপভোক্তাদের আবেদন পত্র পূরণ করে দেন।

উল্লেখ্য, এবারে ত্রিস্তর গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে গয়েশবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতটি একক সংখ্যায় বোর্ড গঠন করে তৃণমূল কংগ্রেস। নতুন প্রধান হয়েছেন রহিমা হোসেন। আর এই গয়েশবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলের বোর্ড গঠন করার পর এই প্রথম ওই এলাকায় সপ্তম দুয়ারে সরকার কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো। যেখানে এদিন কয়েক হাজার মানুষ নানান সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে আবেদন পত্র জমা দিয়েছেন উপস্থিত পঞ্চায়েত ও প্রশাসনের কর্তাদের কাছে।

গয়েশবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান রহিমা হোসেন জানিয়েছেন, বিগত দিনে আমরা দেখেছি অনেকেই ভিন্ন রাজ্যে কাজের জন্য যান। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি দিনমজুর পরিবার গুলির জন্য অনেক প্রকল্প এনে দিয়েছেন। সেই সব প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে এর আগেও আমরা বাড়ি বাড়ি প্রচার চালিয়েছি। এদিন দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকার দিনমজুর শ্রমিক পরিবারগুলিকে নানান সরকারি প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে আবেদন পত্র পূরণ করে জমা দেওয়ার কাজ করানো হয়েছে। এছাড়াও বয়স্ক এবং বিধবা মহিলাদের যারা ভাতা পাওয়ার সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলেন তাদেরকেও দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান আরো জানিয়েছেন, কিছুদিন আগে মণিপুরে নির্মীয়মান রেল ব্রিজ ভেঙে মালদার বেশ কয়েকটি এলাকার ২৩ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল । ঘটনাটি দুঃখজনক হলেও আমরা চাই এর যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়। তাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি শ্রমিকদের জন্য যেসব সরকারি কর্মসূচি উদ্যোগ নিয়েছেন তা পূরণ করার ক্ষেত্রেও এদিন প্রচার করা হয়েছে।