হাসপাতালে চিকিৎসার অভাবে রক্ত ক্ষরণে মৃত্যু রোগীর!অভিযোগ পরিবারের

অবতক খবর,মালদা:সানু ইসলাম;২০ অক্টোবর: একদিকে দেবি দূর্গার আরাধনায় মেতে উঠেছে আপামর বাঙালী,অপরদিকে বাংলায় কাজ করতে এসে চিকিৎসার অভাবে হাসপাতালের বিছানায় রক্ত ক্ষরণে মারা গেলেন বিহারের

এক মহিলা শ্রমিক।ঘটনাটি ঘটেছে আজ শুক্রবার সকালে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে।ডাক্তার বাবুদের সঠিক পরিসেবা না পাওয়ার কারণে মারা গেলেন ওই‌ গৃহবধূ বলে অভিযোগ পরিবারের।বাড়ি কিভাবে নিয়ে যাবেন

এই নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন ওই গৃহবধূর পরিবার।তাই‌ সরকারি সাহায্যের আশায়

সকাল থেকে মৃত দেহ আগলে বসে রয়েছেন বৃদ্ধা শ্বাশুড়ি।রাজ্যের এই বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বরা সুর চড়িয়েছেন।জানা গিয়েছে,মৃত ওই মহিলা শ্রমিকের নাম বিনীতা দেবি(৩০)।বাড়ি বিহার রাজ্যের দ্বারভাঙ্গা জেলার হাটি মোহনপুর এলাকায়।গত তিন মাস আগে

দুই নাবালিকা সন্তানকে নিয়ে বৃদ্ধা

শ্বাশুড়ির সঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুরে মাখনার এক ফড়িতে খই ফোটানোর কাজ করতে এসেছিলেন।বৃহস্পতিবার সকালে পেটের ব্যাথা নিয়ে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি হন।অভিযোগ,ডাক্তার বাবুদের সঠিক পরিসেবা না পাওয়ার কারণে মুখে রক্ত উঠে বিনীতা দেবি মারা যান।

এই ব্যাপের হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালের বি.এম.ও.এইচ এ.কে মন্ডলের সঙ্গে আমাদের সংবাদ প্রতিনিধি ফোনে কথা বলার চেষ্টা করলে বাইরে রয়েছি বলে ফোন কেটে দেন।মৃত বিনীতা দেবির শ্বাশুড়ি জানান,বৃহস্পতিবার সকালে হাসপাতালে বৌমাকে ভর্তি করান।ভর্তি করানোর সময় ডাক্তার বাবুরা শুধু একটি সেলাইয়ের বোতল ঝুলিয়ে দিয়ে গিয়েছিলেন।এরপর আর কোনো খোঁজ নেননি।হাসপাতালে ভর্তি করানোর একদিন পর মুখে রক্ত উঠে হাসপাতালের বিছানায় মারা গেলেন।গত তিন বছর ধরে তার বৌমা টিবি রোগে আক্রান্ত ছিলেন।এর পূর্বে কোনোদিন মুখে রক্ত উঠেনি।এখন কিভাবে বাড়ি নিয়ে যাবেন বড় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন সে।

অপরদিকে দেখা যাচ্ছে হাসপাতালের ডাক্তার বাবুরা হাসপাতালের ভিতরে রোগীদের ঠিকমতো পরিসেবা না দিয়ে হাসপাতালের বাইরে সরকারি কোয়ার্টারে ব্যক্তিগত চেম্বার খুলে টাকার বিনিময়ে শতশত রোগী দেখছেন।অথচ চিকিৎসার অভাবে হাসপাতালে মারা গেলেন এক রোগী।এরজন্য দায়ী কে? উঠছে প্রশ্ন।