অবতক খবর , রাজীব মুখার্জী, হাওড়া : রামায়ণে লেখা আছে সমুদ্রে সেতুবন্ধনের সময় ভারী পাথর ফেলতেই ডুবে যাচ্ছিল সেটি জলে। আর তাই দেখে নীল ও নল নামের দুই বানর পাথরের গায়ে শ্রীরাম লিখে জলে ফেলতেই সেই পাথর জলে ভেসে উঠলো। ঠিক একই ভাবে রামলালার মন্দির তৈরি করতে ইটের গায়ে লিখে দেয়া হয়েছিল শ্রীরাম।

বুধবার অযোধ্যায় যখন রাম মন্দিরে শিলান্যাস হচ্ছে তখন এই বাংলার এক কোণে এক ইটের ব্যবসায়ী নিজের তৈরী ইটের উপর রামের মূর্তি রেখে” জয় শ্রীরাম ,জয় শ্রীরাম” বলে পূজোয় মেতে থাকলেন ।কারন তারই তৈরী ইট তিরিশ বছর আগে পাড়ি দিয়েছিল অযোধ্যায়।এই রামন্দির তৈরীর জন্যই।জানা গিয়েছে ১৯৯০ সালে হাওড়ার সাঁকরাইলের এক ইঁটভাটা থেকে চোদ্দ হাজার ইঁট পাড়ি দিয়েছিল অযোধ্যার রাম মন্দির নির্মানের জন্য।

জানা গিয়েছে খুব সন্তর্পনে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের হাওড়া শাখার এক কর্তার মারফত এই ইট তৈরীর বরাত পান সাঁকরাইলের” দুবে এন্ড কোং”-নামের একটি ইঁটভাঁটা। যার মালিক হলেন ইন্দ্র দেও দুবে। গঙ্গার পলিতে বিশেষ মিশ্রন মিশিয়ে সেই সময়ে মোট একুশ হাজার ইঁট তৈরী হয়েছিল। ইঁটের ছাঁচে বা ফরমাতে পরিস্কার বাংলাতে লেখা হয়েছিল” শ্রী রাম”-কথাটি। ১০×৫×৩ ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট চোদ্দ হাজার ইঁট পাঠান তিনি ।কারন বাকী ইঁট পাঠানোর আগে বিভিন্ন কারনে নষ্ট হয়ে যায়। বুধবার সোনার ও রূপোর ইঁট দিয়ে যখন অযোধ্যায় রামমন্দিরের ভূমি পূজো বা শিলান্যাস হচ্ছে তখন হাওড়ার সাঁকরাইলে এই ইটভাঁটার মালিক স্থানীয় একটি মন্দিরে নিজের তৈরী ইটের উপর করলেন ভগবান রামের পূজো।









