অবতক খবর,৬ জানুয়ারি: সোদপুরে দুদিন ধরে নিখোঁজ মেধাবী ছাত্র এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী আর্য দাসের (১৫) দেহ বৃহস্পতিবার সকালে উদ্ধার হলো বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে। সোদপুর গান্ধীনগরের বাসিন্দা আর্য ৩ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিল। এদিন সকালে তার দেহ পুকুরে ভাসতে দেখে বাসিন্দারা খবর দেন পুলিশে।

খড়দহ থানার পুলিশ দেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। মৃতের মা সোমা দাস ও দিদি অহমিকা দাস আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে তাদের পরিবারেরই জেঠু, জেঠিমা সহ কয়েকজন সদস্যদের বিরুদ্ধে। ১১ বছর আগে মারা গিয়েছেন আর্যর বাবা। অভিযোগ, তার বাবার মৃত্যুর পর বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য আর্যর মায়ের উপর চাপ সৃষ্টি করতো তার জেঠু, জেঠিমা সহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য। এমনকি মারধরও করতো।

আর্যর মায়ের অভিযোগ, গত ২১ ডিসেম্বর ছেলের টেস্ট পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরদিন ২২ ডিসেম্বর ফের তাকে তার পরিবারের সদস্যদের দ্বারা হেনস্থা হতে হয়। দূরে দাঁড়িয়ে পুরো বিষয়টি প্রত্যক্ষ করে ছেলে। তারপর থেকে ও কেমন ছটফট করছিল। অনেক বোঝানোও হয় ছেলেকে। কিন্তু পরে আচমকা ও বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় এবং পরে ওর দেহ উদ্ধার হয়েছে। মায়ের বক্তব্য, ‘আমার অপমান সহ্য করতে না পেরে ছেলে আত্মহত্যা করেছে এবং তারজন্য ওর জেঠু, জেঠিমা সহ পরিবারের কয়েকজন সদস্য দায়ী’।

এদিকে এদিন আর্যর দেহ উদ্ধারের পর ফের ঘরে ঢুকে আর্য’র মা কে বাড়ি খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। এমনকি মারধরও করা হয়। তাতে প্রতিবেশী এক নাবালিকা আহত হয়েছে। খড়দহ থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে