সুচিত্রা/তমাল সাহা

শিল্পিত জীবনে কোনো বিশেষণই তার জন্য যথেষ্ট নয়। সেই নারী সুচিত্রা সেন, আজ তার মৃত্যুদিন

সুচিত্রা
তমাল সাহা

এই নারীটি নাকি কোনোদিন সিনেমার নায়িকা ছিল!
আমি সিনেমা বলি না, বলি বই।
বইয়ের চরিত্র, বইকে হাত দিয়ে ছোঁয়া যায়।
এই নারীটিও হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছিল।
হৃদয় স্পর্শ করেনি যাদের, তাদের হৃদয় আছে কিনা সন্দেহ থেকে যায়!

এই নারীটির মৃত্যুদিন থাকলেও থাকতে পারে কিন্তু বিস্মরণের সুযোগ কোথায়?

এই নারীটি সম্বন্ধে তুমি যত বেশিই বলো, হয়ে যাবে কম।
এই তরুণীটি একসময়ের হার্টথ্রব
তুমি কি অস্বীকার করতে পারো অনুপম?

এই নারীটির অভিনয় শৈলী
কি দিয়ে কে করতে পারে পরিমাপ?
ভাবিয়ে তোলে সেই সব বিভিন্ন চরিত্র সাবলীল সংলাপ।

কে না জানে এই নারীটির প্রচারহীন যাপিত জীবন?
বিনয়ী অহংকারই ছিল তার গভীর অন্তরাল ও আশ্চর্য নীরবতা।
এই নারীটি রেখে গেছে সব বিস্ময়কর গাথা।

লোকদেখানো কাণ্ডকারখানা না করেও মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকা যায়
এই নারীটি দেখিয়ে গিয়েছে স্বমহিমায়।

চলমান চিত্র, তোমরা যাকে বলো সিনেমা
প্রেম ভালোবাসা বিষাদ ব্যথা জীবনের বাস্তবতা সে সব কত কী!
সুচিত্রা সুচিত্রা বলে যতই ডাকো
এ নামে আর কোনো নারী পাবে কি?