অবতক খবর , নদীয়া : কথায় আছে আপন ভালো পাগলেও বোঝে! কিন্তু সেটা যদি কেউ না বোঝে, তাদের বোঝাতে প্রশাসনের একটু অন্য পদ্ধতি অবলম্বন করে। এইতো কিছুদিন আগে ,একটা সময় ছিল যখন রাজ্য সবে চার-পাঁচটি করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছিলো ! তখন সকলে অত্যন্ত চিন্তিত ছিলো জেলায় এখনো হয়নি। তার কিছুদিন বাদে জেলায় এক এক করে বাড়তে বাড়িতে এখন সংখ্যাটা হাজারের ঘরে। আর শান্তিপুরে প্রথম বাগআঁচড়া বড়কুলিয়া গ্রামে একটি পজিটিভ রিপোর্ট আসার পর মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল এবার শান্তিপুরেরও ? কিন্তু এখন সংখ্যাটা ৫০ পার হয়ে গেলেও জনসাধারণের একাংশ অনেকটাই অসচেতন। কখনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ কখনো বা ওষুধ আনার অজুহাতে পকেটে মাস্ক রেখে, অথবা বাড়িতে রেখে নির্দ্বিধায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন রাস্তায়।

চাকদহ, রানাঘাট কৃষ্ণনগর ,শান্তিপুর, কল্যাণী, চাপড়া, তেহট্টো সর্বত্র ক্রমাগত বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। আজ থেকে চারদিন সম্পূর্ণভাবে জনমানবহীন করতে উদ্যত হয়েছে রানাঘাট পৌরসভা। নদীয়াজেলার আগামী ৭ তারিখ থেকে ১৪ তারিখ সম্পূর্ণ লবণের সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে জেলা প্রশাসন। সে জায়গায় দাঁড়িয়ে শান্তিপুর থানাও তৎপরতার সঙ্গে কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ করতে আজ ৩৭ জনকে আটক করেছে স্বাস্থ্য বিধি লংঘন করার অপরাধে।
আজ সাপ্তাহিক লকডাউন এর চতুর্থ দিন, নদীয়া জেলার বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি নদীয়ার শান্তিপুরের চিত্রটা আজকে একটু অন্যরকম। পুলিশের করা নজরদারি থাকলেও সচেতনতা নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে। কেউ একটু বৃষ্টি হতেই মাঠে বল নিয়ে নেমে পড়েছে, কেউ আবার কোন কারণ ছাড়াই মুখে মাক্স না পড়ে রাস্তায় নেমে পড়েছে। সকাল থেকেই সারা শান্তিপুর জুড়ে শুরু হয় পুলিশি নজরদারি, জোরদার হয় ধরপাকড়।









