সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে প্রথম বর্ষের ছাত্রদের সেমিস্টার পরীক্ষায় বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠলো তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিরুদ্ধে

অবতক খবর,৮ জানুয়ারি: সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে প্রথম বর্ষের ছাত্রদের সেমিস্টার পরীক্ষায় বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠলো তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিরুদ্ধে। জোর করে পরীক্ষা বন্ধ করে দেওয়ার জন্যে কলেজের পঠনপাঠনের উপযুক্ত পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ছাত্রদের ভবিষ্যতে ক্ষতি করছে ।

চলছে কলেজ জুড়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দাদাগিরি। আর এর প্রতিবাদে দ্বারস্থ সর্ব ভারতীয় গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠন। সকাল থেকে সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালের বিভিন্ন বর্ষের ছাত্র ছাত্রীদের এই বিষয়ে লিখিত একটি অভিযোগ জানিয়ে একটি করে লিফলেট বিতরণ করা হয়। এর সাথে সাথে কলেজের অধ্যক্ষদের ও এই লিফলেট বিতরণ করা হয়।

গত ৫ই জানুয়ারি সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালের প্রথম বর্ষের ছাত্রদের সেমিস্টার পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। তার দুদিন আগে থেকে ছাত্রদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরীক্ষা দিতে না যাওয়ার জন্য ক্রমাগত ভয় ভীতি দেওয়া হয়। এমন ম্যাসেজ করা সৃষ্টি করা হয়। গ্রুপে ম্যাসেজ আসে যে , পরীক্ষার দিন সকালে প্রথম বর্ষের ছাত্রদের হোস্টেলের ডর্মিটরিতে এসে উপস্থিত হওয়ার জন্যে। আর এটা বাধ্যতামূলক বলে জানানো হয়। আর এর বিরোধিতা করে সর্ব ভারতীয় গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা। এদিন সর্ব ভারতীয় গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনের সদস্য বিক্রম মন্ডল এবং ড: সায়ন দাসের তত্বাবধানে কলেজের বিভিন্ন বর্ষের ছাত্রদের কাছে তাদের এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে লিফলেট প্রদান করা হয়। আর এই লিফলেটের মধ্যে দিয়ে প্রথম বর্ষের ছাত্রদের সেমিস্টার পরীক্ষায় জোর করে বসতে দিতে না চাওয়ার প্রতিবাদ জানানো হয়।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে গোটা ঘটনা অস্বীকার করা হয় । কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সম্পাদক সৌমিত্র প্রামাণিক বলেন, এই অভিযোগ একেবারে মিথ্যে। ছাত্ররা যদি পরীক্ষা দিতে না চায় তার দায় আমাদের নয়। শুধু একটা ম্যাসেজ এসেছিল সেটা forward করেছি। তার মানে তো এটা নয় যে আমরা ওই ম্যাসেজ করেছি। আসলে বাংলার শাসক দলের নাম বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এরা সরকার বিরোধী দল বলে পাল্টা অভিযোগ কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের।