অবতক খবর,২৩ জুন,জ্যোতির্ময় মন্ডল পূর্ব বর্ধমান:মন্তেশ্বর ব্লকের দেনুর অঞ্চলের ধেনুযা গ্রামের প্রাচীন শতাব্দীর পাঁচ দিনের ধর্মরাজের পুজোয় মাতলেন ধেনুয়া গ্রামের মানুষজন।

বাবা ধর্মরাজের পূজার কর্মকর্তা তথা ধেনুয়া গ্রামের বাসিন্দা নির্মল মাঝি, নিতাই বাঘরা বলেন এই পুজোটা প্রত্যেক বছর জ্যৈষ্ঠ আষাঢ় মাসের পূর্ণিমার তিথিতে শুরু হয়ে পাঁচ দিন ধরে চলে এই পূজা। তাই

আজ থেকে পুজো অনুষ্ঠিত হয়। কঠোর পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতে এই ধর্মরাজের বাৎসরিক পূজা হওয়ার এক মাত্র কারন ধর্মরাজপুজার মেন মন্দির , ও মসজিদ কাছাকাছি স্থানে অবস্থান থাকায়। যাতে অশান্তি বা আইন-শৃঙ্খলার অবনতি না হয় তার জন্য প্রত্যেক বছর কঠোর পুলিশ প্রশাসনের উপস্থিতিতে এই পুজো অনুষ্ঠিত হয়। তবে এটা আমাদের কাম্য না হওয়ায় ভালো হয়। পূজা উপলক্ষে প্রচুর লোকসমাগম হওয়ার জন্য পুলিশি ব্যবস্থা থাকে বলে জানান পূজার কর্মকর্তারা। পূজার মন্দির তলায় পূজা আরম্ভ থেকে শেষ পর্যন্ত পুজো তলায় উপস্থিত ছিলেন মন্তেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আহমেদ হোসেন শেখ ওকালনা এসডিপিও রাকেশ চৌধুরী, মন্তেশ্বর থানার আইসি বিপ্লব প্রতি এর নেতৃত্বে বিরাট পুলিশ বাহিনী। ধর্মরাজ মন্দিরতলা এলাকার সংলগ্নে এলাকা জুড়ে বসেছে মেলা। অনেকে মানত পূরণ হওয়ায় দণ্ডীকাটা, ছাগ বলি দেন অনেকে।

কথিত আছে অতীতে এলাকায় ও দূরদূরান্তের অনেক কুকুরে কামড়ানোর ও মহিলাদের বাচ্চা না হওয়া সহ , অনেক রোগের জন্য বাবা ধর্মরাজের কাছে মানত করে, বাবা ধর্মরাজ সেই মানত অনেক মানুষজনের পূরণ করেছেন বলে কথিত আছে। এই পুজোটা পিপলন, ধেনুয়া গ্রামের বাৎসরিক পুজো। এই পূজা উপলক্ষে মহিলা সহ পুরুষ নিয়ে শতাধিকের উপর সন্ন্যাসী হয়েছে । গ্রামের প্রত্যেক বাড়িতে আত্মীয়-স্বজন আসে। পূজা উপলক্ষে প্রত্যেকদিন আলাদা আলাদা ভাবে, বিভিন্ন সংস্কৃতি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

তাই এই বছর বাবা ধর্মরাজের পূজা আনন্দ উৎসাহের সঙ্গে হচ্ছে বলে জানান এলাকার পুজো দিতে আসা ও পূজা তলায় আসা মানুষজনরা। পূজা কমিটির সদস্যরা ও এলাকার বাসিন্দারা জানান এই পূজা উপলক্ষে পূজা তলায় প্রচুর লোকসমাগম হয়ে এই বাৎসরিক বাবা ধর্মরাজের পুজো উপলক্ষে একটা মিলনক্ষেত্র তৈরি হয়।