অবতক খবর , নদীয়া :     নদীয়া জেলার শান্তিপুর ব্লকের গয়েশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত টেংরি ডাঙা এবং মেদিয়া পাড়া গ্রামের এক রেশন দোকানে বিক্ষোভে সামিল হলো গ্রাম বাসী। ওই গ্রামেরই বাসিন্দা সুকিলা বিবি গয়েশপুর পঞ্চায়েতের প্রধান, তার স্বামী আমিরুল ইসলাম মন্ডল রেশন ডিলার।

বিগত চার বছর ধরে ওই এলাকারই মৃত ৭৩ জনের রেশনের খাদ্য সামগ্রী নিয়মিত তুলে আসছেন ডিলার, যার মধ্যে তার নিজস্ব ঘনিষ্ঠ দু-একজনকে দিলেও বাকিদের খাদ্য সামগ্রী বিক্রির একাধিক অভিযোগ উঠেছে ওই রাশন ডিলার এর বিরুদ্ধে। এমনকি ঠিকানা পরিবর্তন হলেও অফিস কে জানানো হয় না, একদিন রেশন দিয়ে চারদিনের তারিখ লিপিবদ্ধ করা হয়, অন্তর্দায় এবং অন্যান্য কার্ডের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করে কম পরিমাণে খাদ্যদ্রব্য দিয়ার অভিযোগ ওঠে।

এ বিষয়ে প্রধানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, এই বিষয়ে ফুড সাপ্লাই ইন্সপেক্টর এর কাছে নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হোক। মৃত ব্যক্তির রেশন দেওয়ার বিষয় নিয়ে কার্যত স্বীকার করে নিলেন ডিলার আমিরুল ইসলাম। কিন্তু গ্রামবাসীদের প্রশ্ন একজন প্রধানের স্বামী হিসাবে সরকারকে তথ্য গোপন করে কিভাবে মৃত ব্যক্তির নামে খাদ্যসামগ্রী দীর্ঘদিন তোলা সম্ভব?

গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, ওই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ার সুবাদে মৃত্যুর পর প্রত্যেক গ্রামবাসী তার কাছে রেশন কার্ড সারেন্ডার করতে আসে। কিন্তু তাদের কোন সারেন্ডার সার্টিফিকেট প্রদান করা হয় না, এমনকি রেশন দেওয়ার দিন সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ সামাল দিতে বা সাধারণ মানুষের ন্যায্য মালের অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে কিছু অসামাজিক ব্যক্তিদের দেখা যায়। গণস্বাক্ষর সম্বলিত অভিযোগ পত্র ডিএম, এসপি, এসডিও, জেলা খাদ্য দপ্তরে জানানো হয়েছে আজ, সুরাহা না মিললে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হবেন তারা।