“রাম নিরামিষাশী নয়, মাংসাশী” ন্যাশনাল লিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) নেতা জিতেন্দ্র আওহাদের এই মন্তব্যে এখন দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়

অবতক খবর,৪ জানুয়ারি: “রাম নিরামিষাশী নয়, মাংসাশী” ন্যাশনাল লিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপি) নেতা জিতেন্দ্র আওহাদের এই মন্তব্যে এখন দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়। তা নিয়ে এনসিপি নেতাকে নিশানা করলেন কেন্দ্রীয় গ্রাম উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সাদ্রী নিরঞ্জন জ্যোতি। তিনি বলেন এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক মন্তব্য। প্রত্যেক হিন্দুকে এর বিরোধিতা করা উচিত। যিনি কন্ধমূল খেয়ে বনবাসের সময় জীবন অতিবাহিত ককরেছিলেন, সেই ভগবান রামের উপর এরকম অসভ্য টিপ্পনী করাটা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এবং রাম ভক্তদের মেনে নেওয়া উচিত নয়। এনসিপি সভাপতি শারদ পাওয়ার, সুপ্রিয়া সুলের উচিত দলের বিধায়কের এই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেওয়া। ভগবান শ্রী রাম মর্যাদার প্রতীক, মর্যাদা অন্য মানুষকে শেখায়। সেখানে রামকে নিয়ে এই ধরনের মন্তব্য কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য নয় হয় কংগ্রেস এই বক্তব্য বিরোধিতা করুক না হয় এন বি এ জোটের তরফ থেকে এই মন্তব্যের বিরোধিতা করা হোক, না হলে শারদ পাওয়ার জল থেকে এই নেতাকে বের করে দিক।’
কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে কংগ্রেসসহ বিরোধী দলের নেতারা ভুলভাল বকছে। কেননা মোদিজীর সামনে এরা দাঁড়াতেই পারবে না। কারণ মোদী জনতার সাথে আছে, জনতা মোদির সঙ্গে আছে।

উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নীলগঞ্জ সাইবনা মন্দিরে পুজো দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জ্যোতি এইসব মন্তব্য করেন।

অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে ইডির তরফে সমন পাঠানোর সম্ভাবনা নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন ‘যারা নয় ছয় করেছে তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই তদন্ত হবে। দেশের গরীব মানুষের অর্থ ছিনিয়ে যারা নিজেদের ঘরে রেখেছে… কংগ্রেসের এক সংসদের ভোট থেকে সাড়ে তিনশ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। কেউ কি এ নিয়ে একটা কথাও বলেছে? কংগ্রেস কি এখনো তাকে দল থেকে বের করে দিয়েছে? করেনি। আর যখন দুর্নীতির পর্দা ফাঁস হচ্ছে তখন তাদের জ্বালা ধরছে।’