অবতক খবর,১২ জুন: বোলপুর বিধানসভার ইলামবাজারের সুখবাজার এ চলছে রমরমিয়ে গরু পাচার।

গরু পাচার কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের।আর ৪ নিরপত্তা রক্ষীদের ম্যারাথন জিঙ্গসাবাদ করে সিবিআই প্রতিনিধিরা । ইতিমধ্যেই তাঁর দেহরক্ষীকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। সিবিআই তদন্তের মাঝেই বীরভূমের ইলামবাজার থেকে রমরমিয়ে চলছে গরুপাচার।

পুলিশকে টাকা দিয়েই মেলে গরু নিয়ে যাওয়ার ছাড়পত্র, এমনটা জানাচ্ছে কারবারিরা৷ এই হাট থেকে মুর্শিদাবাদ, সেখান থেকে রাতের অন্ধকারে বিভিন্ন জায়গায় পাচার হয়ে যায় গরু কারবারিদের কাছ থেকে উঠে এল তথ্য৷

বীরভূমের ইলামবাজারের সুখবাজার গোরুর হাট দক্ষিণবঙ্গের সব থেকে বড় পশুহাট হিসাবে পরিচিত৷ অভিযোগ, এই গরু হাট থেকে মুর্শিদাবাদ সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় গরু পাচার হয়। এমনকি, এই হাট থেকেই বাংলাদেশে গরু পাচারের অভিযোগ ওঠে৷ তদন্তে নেমে এই হাট থেকে একাধিক নথি পায় সিবিআই অফিসারেরা।

তারপরই গরু পাচার কাণ্ডের অন্যতম চক্রের পান্ডা এনামূল হক কে গ্রেপ্তার করা হয়৷ নাম উঠে আসে অনুব্রত মণ্ডল৷ গরু পাচার কাণ্ডে তদন্তের জন্য একাধিকবার তৃণমূল বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে নিজাম প্যালেসের হাজিরা দেওয়ার নোটিশ দেয় সিবিআই।

ইতিমধ্যে তাঁর দেহরক্ষী সাহগেল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে নিয়েছে সিবিআই। একই সঙ্গে অনুব্রত মন্ডলের আরও চার নিরপত্তা রক্ষীকে সিবিআই জেরা করেছে।

এত কিছুর পরেও ইলামবাজার থেকে রমরমিয়ে চলছে গরু পাচার। কারবারিদের কাছ থেকে জানা গিয়েছে, এক একটি গরু দাম ৮ থেকে ১২ হাজার৷ বড় গরু দাম ২৫ থেকে ৪০ হাজারা টাকা পর্যন্ত৷ ইলামবাজারের সুখবাজার হাট থেকে চৌপাহারির জঙ্গল, সোনাঝুরি জঙ্গল হয়ে চলছে পাচার৷

প্রসঙ্গত, প্রাণী সুরক্ষা আইন অনুযায়ী গাড়ি করে গবাদিপশু নিয়ে যাওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি৷ তা সত্ত্বেও পুলিশকে টাকা দিয়েই মিলছে ছাড়পত্র৷ গাড়ি পিছু ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয় পুলিশকে, এমনটাই জানাচ্ছেন কারবারিরা৷ এক কথায়, সিবিআই তদন্তের মাঝেই বীরভূম থেকে চলছে গোরু পাচার৷

কারবারিরা বলেন, “সুখবারার হাট থেকে নিয়ে যাচ্ছি গোরু৷ বেআইনি তো বটেই, হাটিয়ে নিয়ে যেতে পারব না। পুলিশ টাকা নিয়েই ছেড়ে দেয়৷ মুর্শিদাবাদেও যায় গরু রাতের অন্ধকারে পাচার হয় বাংলাদেশ ।