Aabtak Khabar,14 July: নববারাকপুর : বন্ধুদের সাথে পূর্ব মেদিনীপুরের তাজপুর সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়েছিল সুখদেব বিশ্বাস। কিন্তু আর ঘরে ফেলা হলো না ৩২ বছর বয়সী সুখদেব বিশ্বাসের। তাজপুর সমুদ্রস্নানে নেমে তলিয়ে গেল নিউ বারাকপুরের বাসিন্দা সুখদেব। রবিবার ওই পর্যটক যুবকের লাশ উদ্ধার করে মন্দারমণি কোস্টাল থানার পুলিশ।
জানা গেছে, শনিবার শিকাকের দিকে সাত বন্ধু মিলে নিউ ব্যারাকপুর থেকে তাজপুর বেড়াতে গিয়েছিল সুখদেব। পেশায় কল মিস্ত্রি ওই যুবকের বাড়ি নিউ বারাকপুর পুরসভার ৭নং ওয়ার্ডের পশ্চিম মাসুন্দা বিলকান্দা চড়কতলা এলাকায়।
বিকেলের দিকে তাজপুর বেঁচেই অস্থায়ী শিবির গুলিতে খাওয়া দাওয়া করে এরপর বন্ধুদের সাথে সমুদ্র স্নানে নামে। এরপর হঠাৎই অঘটন ঘটে। রাতটায় দশটা পর্যন্ত তার বন্ধুরাই খোঁজাখুঁজি করার পরেও খোঁজ পাওয়া যায়নি সুখদেবের। পরে রাত এগারোটা নাগাদ খবর দেওয়া হয় স্থানীয় থানায়।
রবিবার সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ মন্দারমণি বীচে একটি লাশ সমুদ্রে ভাসতে দেখা যায়। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে মন্দারমণি উপকূলীয় থানার পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। প্রথমে ওই লাশ সনাক্ত করে সুখদেবের বন্ধুরা। এরপর পুলিশের তরফে খবর দেওয়া হয় সুখদেবের পরিবারকে। পরে তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।
মন্দারমণি উপকূলীয় থানার পুলিশ দেহটি ময়না তদন্তের জন্য কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
এদিকে ছেলের এই অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সুখদেবের পরিবারে।
আক্ষেপের সাথে শুকদেবের দিদি জানান। ‘আমার ভাই আমাদের জীবন থেকে সবকিছু নিয়ে গেছে, কেবল দুঃখই দিয়ে গেছে। গত তিনদিন পরে আজকে সকাল দশটা নাগাদ খবর এলো আমার ভাই নাকি আর নেই।’
সম্প্রতি দিঘায় জগন্নাথ দেবের মন্দির গড়ে ওঠার পর থেকে দিঘা সহ তাজপুর, মন্দারমণি, শংকরপুর প্রভৃতি পর্যটনকেন্দ্রে ভীড় বাড়ছে। এমন অবস্থায় পুলিশি নজরদারিও বেড়েছে। কিন্তু তারপরেও পুলিশ প্রশাসনের নজর এড়িয়ে সমুদ্রস্নানে নেমে কেন এমন বিপদ ঘটলো তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।









