ভবা/তমাল সাহা

সমাজ কো বদল ডালো–এই ভাবনার চিন্তক চলচ্চিত্রকার ঋত্বিক ঘটকের মৃত্যুদিন আজ–শ্রদ্ধা নিবেদন

ভবা
তমাল সাহা

ভবাকে বলি,
নীলকন্ঠ বাগচী নাম নিলে কেন?
আর কেনই বা উপাধি বাগচী?

তখন পুরো মাতাল ভবা বলে,
এতো আমার কথা, বুঝতে পারছো না।
ভাবো, ভাবা প্র্যক্টিস করো।
শালা! মেরে মেরে বোঝাও।
আমি সমাজের নীল গিলে বসে আছি।
তো আমার নাম নীলকন্ঠই হবে।

মানুষের জীবন নিয়ে কাটাছেঁড়া করে যাই,
শালা দেখিস না!
মাটিরও পোস্টমর্টেম হয়।
দেশ দ্বিখন্ড হলে
দুটো বাংলাদেশ বেরিয়ে আসে।
আর জীবনের ঠাঁই নড়ে যায়।

সব কথা তো বলে যেতে হবে।
সশস্ত্র সংগ্ৰাম ছাড়া পাল্টায় নাকি কিছু।
তোদের মাথায় ভর্তি তো গোবর!
এইসব বোঝাতে বোঝাতে হয়ে গেলাম বেসামাল।

জন্মভূমি মা,পাগলি হয়ে ঘুরে বেড়ালো,
আমাকেও উন্মাদ বানালো,
দেশজ মানবজীবন ও লোকশিল্পে।
আর সাইড ব্যাগে ভরে দিয়ে গেল
বোতল বোতল গরল।
শিল্প কোল বালিশ নাকি!
শুয়োরের বাচ্চা, সব অশিক্ষিতের দল।
ক’জন শিল্প বোঝে?
কম্প্রোমাইজ আমার ধাতে নেই।

আমি তো কাপালিক,
ঘুরে বেড়াই আগুন নিয়ে শ্মশান চণ্ডাল!
আমি তো ভাঙা বুদ্ধিজীবী–
ব্রোকেন ইন্টৈলেকচুয়াল!