অবতক খবর,১১ সেপ্টেম্বর: পুলিশ দিবস ঘোষিত হয়েছিল ১লা সেপ্টেম্বর। ‌কিন্তু ভারতের

প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব্ মুখার্জীর প্রয়াণের কারণে তা স্থগিত হয়ে যায়। পরবর্তীতে ৮ সেপ্টেম্বর পুলিশ দিবস সারা রাজ্য জুড়ে পালিত হয়।

সেদিন বীজপুর পুলিশ স্টেশনে একটি সাড়ম্বর অনুষ্ঠান হয়। পুলিশ স্টেশনটি আলোকমালায় সজ্জিত করা হয়। যুব শক্তির পক্ষ থেকে তৃণমূল যুব কনভেনর সুজিত দাস, প্রবীর সরকার,কমল অধিকারী,রামা গিরি, খোকন তালুকদার,উৎপল দাশগুপ্ত পুলিশদের সংবর্ধিত করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইসি ত্রিগুণা রায়, ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট আইপিএস অমিত বার্মা। এই উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের তো সংবর্ধনা প্রদান করা হয়ই,তার সঙ্গে সাব-ইন্সপেক্টর তাপস ধারা, গৌরব দত্ত ও পুলিশের অন্যান্য অফিসার, কনস্টেবল ও সিভিক পুলিশদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন তারা। এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাঁচরাপাড়া শহর যুব শক্তির তরফে রতন চক্রবর্তী, সোমনাথ দাস,রাকেশ প্রসাদ, শ্রীমতী মৌমিতা মন্ডল।‌

বক্তব্যে যুব কনভেনর সুজিত দাস জানান, পুলিশ করোনার এই মহাকালে নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যে কাজ করেছে তার জন্য আমরা পুলিশ সমাজের কাছে কৃতজ্ঞ এবং আম্ফান এলাকায় তারা দায়িত্ব নিয়ে যে সমস্ত খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছেন তা নিশ্চিতভাবে মানুষের প্রতি একটি কল্যাণমূলক কার্য। অর্থাৎ তারা জীবন বিপন্ন করে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

এদিন কয়েকজন ব্যবসায়ীকেও এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তারাও উপস্থিত ছিলেন এবং সমবেত অতিথি এবং সুধীজনকে আপ্যায়নের ব্যবস্থা ছিল।

উল্লেখ্য পুলিশ এবং জনসংযোগ একটি বড় কথা। এই পুলিশ দিবসের একটি গুরুত্ব রয়েছে। কারণ এটি ছিল সরকার ঘোষিত প্রথম পুলিশ দিবস। সেই অনুষ্ঠানে শহরের অরাজনৈতিক,ষ কোনোসুধী ব্যক্ত উপস্থিত ছিলেন না। ‌ এমনকি পুলিশের সঙ্গে সংযোগরক্ষাকারী যে সংবাদকর্মী তাদেরও কাউকেই এই অনুষ্ঠানে দেখা যায় নি।