অবতক খবর,২৮ জুলাই: কাঁচরাপাড়া-হালিশহর অর্থাৎ বীজপুর জুড়ে ২৭ জুলাই-১লা আগস্ট পর্যন্ত কড়াকড়িভাবে লকডাউন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পৌর প্রশাসন, থানা প্রশাসন এবং ব্যবসায়ী সমিতি মিলে। বিরোধী রাজনৈতিক দলেরা প্রশ্ন তুলেছেন,ওই সিদ্ধান্তের সময় তৃণমূল নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাহলে এই লকডাউন কার? প্রশাসনের? ব্যবসায়ী সমিতির? নাকি তৃণমূল দলের? তারাই কি এই লকডাউনের হর্তাকর্তা? বীজপুরে কি বিরোধী রাজনৈতিক দল নেই? তাদের কোনো গুরুত্ব নেই? তাদের কি মতামত? গণতান্ত্রিক সরকার বলে যারা নিজেদের বাহবা দেন তারা কি ভুলে গেলেন, গণতন্ত্র কাকে বলে?

বিজেপির পক্ষ থেকে দিব্যেন্দু রায় এই প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি জানান, এই মুহূর্তে রাজনৈতিকভাবে শাসকের বিরোধীদল বলে বিজেপি নিশ্চিত ভাবে পরিচিতি পেয়ে গিয়েছে। এই লকডাউনের মধ্যে কি বিজেপি সমর্থকরা পড়েন না? সুতরাং বিজেপি রাজনৈতিক দলের তো মতামত শোনা উচিত ছিল ওই সভায়। কাঁচরাপাড়ার বরিষ্ঠ সিপিএম নেতা শম্ভু চ্যাটার্জীও জানান,লকডাউন হবে প্রশাসনিকভাবে জানানো হয়েছে। কিন্তু রাজনৈতিকভাবে যে এর গুরুত্ব রয়েছে, সমাজের পরিচালনার সঙ্গে রাজনৈতিক শক্তিও যে জড়িত, তাদের একটা ভূমিকা থাকে, এই আলোচনা সভায় সেই রাজনৈতিক বিরোধী দলগুলিকে মর্যাদা দেওয়া হল না কেন?

অন্যদিকে বীজপুর বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়
যদিও বর্তমানে তিনি বিজেপি সদস্য তিনি মারাত্মক অভিযোগ তুলেছেন যে, রাজনৈতিকভাবে আমি যে দলের সদস্যই হই না কেন, এখনও পর্যন্ত আমি বীজপুরের জনগণের প্রতিনিধি। এই আলোচনা সভায় আমাকেও ডাকা হয়নি। ‌ কোনভাবে আমার মতামত নেওয়া হয়নি। এদিকে শম্ভু চ্যাটার্জি বলেন, তাহলে কি এই শাসক দল বিরোধী শক্তিদের উচ্ছেদ করতে চাইছে? তাদের কোন মর্যাদা দিচ্ছেৎনা? গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় তা চলতে পারে না।

 

এমনই একটা পরিস্থিতির মুখে কাঁচরাপাড়ায় লকডাউন চলছে।