বাহানাগা হাই স্কুল
তমাল সাহা

হয়তো বা হাজার বছর পরে লেখা হবে কোনোদিন এই স্কুল এক প্রত্নতাত্ত্বিক ধ্বংসাবশেষ।
মাটিতে লেগেছিল চাপ চাপ রক্তের দাগ, সাদা থানের টুকরো বলে মনে হয়,এগুলি ছিল কাফনের ছেঁড়া অংশ আর এগুলো সম্ভবত টুকরো টুকরো মাংসের ঘনীভূত রূপ। স্কুলের ঘরেও তখন ঘুরপাক খাবে নাকি মানুষ পচা গন্ধের বাতাস!

কত মানুষ এখানে আনা হয়েছিল? কারা কারা খুঁজতে এসেছিল? গরিব পরিযায়ীরও কী প্রেমিক-প্রেমিকা থাকে!

এই ইস্কুল একদিন মর্গ হয়ে উঠেছিল। প্রত্নতত্ত্ববিদদের লেখা থেকে জানা গেছে। জানা গেছে কোনোদিন কোনো এক করমন্ডল এক্সপ্রেস, যশবন্তপুর এক্সপ্রেস ও এক মালগাড়ির ত্র্যহস্পর্শ হয়েছিল। দুর্ঘটনায় মৃত সব মানুষের লাশ এখানে এনে ডাঁই করা হয়েছিল।

হয়তো বা একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকের এইসব প্রত্নচিহ্ন-মহেঞ্জোদারো এক। পাওয়া যাবে অসংখ্য মৃতদেহের ছবি বন্দি কোনো ক্যামেরায়।

এইভাবে দুর্ঘটনা একদিন হয়ে যাবে ইতিহাস, লেখা হবে বইয়ের পাতায়!