অবতক খবর,৫ সেপ্টেম্বর,নদীয়া:- ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে সারা বছর ধরে তৃণমূলকে যেমন দুষে থাকে বিজেপি, শান্তিপুরে উল্টোপূরাণন! তৃণমূল এক কর্মীকে প্রকাশ্যে বিজেপির কাউন্সিলর এবং তার ছেলে ও জামাই দাঁড়িয়ে থেকে মারলেন ঘুষি লাথি এবং ব্যাট দিয়ে, এমনই এক অভিযোগ জমা পরল শান্তিপুর থানায়।

শান্তিপুর শহরের দু নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জিতেন শাহ পেশায় শান্তিপুর রেলওয়ে স্টেশনে কুলি মজদুরের কাজ করেন। তিনি বলেন, গতকাল মাথায় বড় ঝাকা নিয়ে স্টেশন থেকে নামার সময় মোটরসাইকেল চলে আসা এক ব্যক্তির সাথে ধাক্কা লাগে, এরপর সে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে এবং এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মহানন্দ বিশ্বাসের জামাই পরিচয় দিয়ে শাসানি দেয় দেখে নেওয়ার।

এরপর আজ সকালে রেল স্টেশনে কাজে গেলে কাউন্সিলর তার জামাই এবং ছেলে সহ বেশ কিছু যুবক লাঠি নিয়ে চড়াও হয় তার উপর। মাথায় পিঠে পা য়ে বেশ কয়েক জায়গায় গুরুতর আঘাতের চিকিৎসা করিয়ে শান্তিপুর থানায় নিয়ে আসেন শান্তিপুর শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি দীপঙ্কর সাহা। তিনি বলেন দু নম্বর ওয়ার্ডের অত্যন্ত নিরীহ তৃণমূল কর্মী জিতেন, শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করি বিজেপি নতুন করে সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করতে চাইছে।

অন্যদিকে কাউন্সিলর মহানন্দ বিশ্বাস বলেন, বিজেপি কাউন্সিলর হওয়ার জন্য নানা ধরনের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে তৃণমূল। গতকাল আমার স্ত্রী এবং গর্ভবতী মেয়ে কল্যাণী থেকে ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার সময় ধাক্কা লাগে তাদের সামনেই জামাইকে বেধড়ক মারধর করে, সেই চিকিৎসার কাগজপত্র আছে। আর আজকে বিষয়টি জানতে গিয়েছিলাম শান্তিপুর স্টেশনে, মারধরের কোন প্রশ্নই ওঠেনা জনসমক্ষে এবং আরপিএফ এর সামনে জিতেন কি জানতে চেয়েছিলাম কেন সে মেরেছে? কার প্ররোচনায়? থানায় মিথ্যে অভিযোগ করেছে আমাকে , এবং দলকে কালিমালিপ্ত করার জন্য।