অবতক খবর,৩০ মে: প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী আজ সাংবাদিক বৈঠকে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে তিনি বলেন এটি কেন্দ্রীয় আইন। যদি নাগরিকত্ব আইন দেয়ার ইচ্ছা থাকতো তাহলে কেন পাঁচ বছর পরে থাকলো , যখন বললো রাজ্য করতে দিচ্ছে না। আর এখন বলা হচ্ছে যে আমরা চাইছি রাজ্যকে অবজ্ঞা করে আমরা নাগরিকত্ব আইন বাস্তবায়িত করব।

অধীর চৌধুরী এ বিষয়ে বলেন এতই যদি তোমাদের সততা থাকতো তাহলে পাঁচ বছর তোমরা কেন অপেক্ষা করলে আর এতদিন পর মাত্র ৮ জনের নাম বের হল। অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন আমরা পার্লামেন্টে বলেছিলাম ভারতবর্ষের সংবিধান অনুযায়ী ধর্মীয় কারণে কাউকে নাগরিকত্ব দেয়া যায় না, তিনি বলেন তাই বলে এই নয় আমরা নাগরিকত্ব দেয়ার ব্যাপারে বিরোধিতা করছি। তিনি বলেন পার্লামেন্টে আমরা এই কথা বলেছিলাম ধর্মীয় কারণে নাগরিকত্ব দিলে ভারতবর্ষের সংবিধান লঘু করা হয়। অধীর প্রশ্ন তুললেন লোকসভা ভোটের ঠিক আগে এবং পশ্চিমবঙ্গের শেষ দফা নির্বাচনের আগে কেন নাগরিকত্ব আইন প্রকাশ করতে হলো? তিনি বলেন আগে আমাদের জবাব দিক কেন নাগরিকত্ব আইন নিয়ে পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হলো। অধীর চৌধুরী বলেন আমরা আগেও বলেছি এখনও বলছি, ধর্মীয় কোন কারণে ভারতবর্ষের সংবিধান কখনো নাগরিকত্ব দিতে পারেনা।

এর সঙ্গে অনেক আইনি ব্যাখ্যা আছে সেগুলি যদি নাগরিকত্ব আইনে দেয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়,তাহলে দিতে পারে।

তিনি বলেন যে প্রক্রিয়ায় এটা করা হয়েছে ধর্মীয় কারণ দেখিয়ে যে ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে যারা এসেছে তাদের জন্য। সেক্ষেত্রে কি করে প্রমাণ করা হবে যে তারা ধর্মীয় অত্যাচারে অত্যাচারিত হয়ে এদেশে এসেছে সেটি কে প্রমাণ পত্র দিচ্ছে কিভাবে হচ্ছে তা আমার জানা নাই বললেন অধীর। তিনি আরো বলেন ভারতবর্ষের নটা রাজ্যে থেকে বত্রিশটা জেলা র ম্যাজিস্ট্রেট আছেন তারা এমনি মনে করলে দিতে পারে সে ব্যবস্থা আছে।

এইসব না করে এই ধানাই পানাই করে ভোটের আগে এবং বাংলার শেষ পর্বের ভোটে পূর্বে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে মুখরোচক কথাবার্তা না বলে বিগত পাঁচ বছর সময় পাওয়া সত্বেও কেন বাস্তবায়ন করা হলো না সেই প্রশ্ন তুললেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এতদিন অপেক্ষা করার পর কেনই বা আটটা নাগরিকত্ব দেয়া হলো এ তো দেখা যাচ্ছে পর্বতে মূষিক প্রসব! অধীর রঞ্জন চৌধুরী যিনি সাংবাদিকদের সামনে একটা প্রশ্ন তোলেন ঠিক পাঁচ বছরের অপেক্ষা নির্বাচনের আগে আটটা নাগরিকত্ব টাও নির্বাচনের শেষ দফায় কলকাতায় যেখানে মতুয়া সম্প্রদায় মানুষের ভোট আছে সেখানে কেন দিতে হল ভোটের আগে? সুতরাং অংক খুব সহজ সরল মতুয়া সম্প্রদায়ের ভোট নেয়ার জন্য তাদেরকে নতুন করে বিভ্রান্ত করে আবার নির্বাচনের আগে মাত্র আট জনকে নাগরিকত্ব দেয়া হলো এটা কিসের ইঙ্গিত প্রশ্ন করলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী।