দাদু ঠাকুমা বা দিদার অনুভূতিকে বাচ্চাদের কাছে পৌঁছে দিতে ব্যারাকপুর সেন্ট অগাস্টিন ডে স্কুলে পালিত হল গ্র্যান্ড প্যারেন্টস ডে 

অবতক খবর,৯ সেপ্টেম্বর,ব্যারাকপুর : রাজার ঘরের সুয়োরানী দুয়োরানীর গল্প এবং স্কুল থেকে নিয়ে আসা এবং রাত্রিবেলা ঠাকুমার কোলে শুয়ে ঘুমোনো। সবটাই যেন এখন পুরনো আমলের কথা। দাদু ঠাকুমা দাদু দিদা যেন ছোটবেলায় আমাদের গল্পের লেখক লেখিকার মতন ছোটবেলাকে মুড়ে রেখেছিল। এখন সেসব অতীত পুরোটাই যেন ইউটিউব আর ফেসবুক। আর সব থেকে বড় কথা সময়ের অভাব সমাজে।

এখন যৌথ বা পরিবারের সংখ্যা কমেছে, বেড়েছে নিউক্লিয়ার পরিবার অর্থাৎ একক বদ্ধ পরিবার ছেলেবেলায় গল্প উৎসব দাদু ঠাকুমার আদর ভুলেছে শিশুকাল থেকেই বাচ্চারা। সেই সবদিক পর্যবেক্ষণ করে ব্যারাকপুর সেন্ট অগাস্টিং স্কুলে শনিবার এক অভিনব ভাবনায় ফুটে উঠল গ্রান্ড প্যারেন্টস ডে উদযাপন। এদিন এই অনুষ্ঠানে প্রত্যেক দাদু ঠাকুমাকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের খেলা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এক অন্যরকম অনুভূতি উপহার পেল পড়ুয়ারা।খুদে থেকে বরিষ্ঠ দাদু ঠাকুরমা রা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে প্রানবন্ত করে তোলেন গ্র্যান্ড প্যারেন্টস ডে।