বীজপুরে বৈচিত্রময় পৌরসভা, ঠুঁটো জগন্নাথ কাঁচরাপাড়ার উপ পৌরপ্রধান ও হালিশহর-এর পৌরপ্রধান

অবতক খবর,৩০ জানুয়ারিঃ পশ্চিমবঙ্গের উল্লেখযোগ্য দুটি শহর কাঁচরাপাড়া এবং হালিশহর। হালিশহর তো কলকাতার চেয়েও পুরনো এক ঐতিহ্যময় শহর। হালিশহরকে পূণ্যভূমি বলা হয়ে থাকে। বলা হয়ে থাকে রাজনৈতিক চিন্তা চেতনার আঁতুরঘর এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে হালিশহরের একটি ভূমিকা রয়েছে। এই শহরের পৌর প্রধান রাজু সাহানি চিটফান্ড কাণ্ডে অভিযুক্ত। যদিও তিনি জামিন পেয়েছেন। তিনি এখনো পৌরসভার পৌরপ্রধানের দায়িত্বে থাকলেও পৌর ভবনে এসে তার চেয়ারে বসতে পারেননি এবং সেই আসনটি তিনি পুনরায় অর্জন করবেন কিনা যে বিষয়ে সন্দেহ রয়ে গেছে । পৌরপ্রধানকে তাঁর পদ থেকে সরানোও হচ্ছেনা আর তাঁক বসতেও দেওয়া হচ্ছেনা। এক কথায় তাকে ঠুঁটো জগন্নাথ করে রেখে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে রয়েছেন কাঁচরাপাড়া পৌরসভার উপপৌর প্রধান শুভ্রাংশু রায়। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে শপথ নেন তিনি। উপ পৌর প্রধান হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণাও করা হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তিনি উপ-পৌরপ্রধান হিসেবে পৌরসভায় চেয়ার গ্রহণ করেননি। পদটি গ্রহণ করেন নি। উপ পৌর প্রধান যাকে করা হয়েছে তিনি বীজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক। তিনি উপ পৌর-প্রধানের পদটি গ্রহণ করছেন না কেন? এর কারণ স্বরূপ তিনি জানিয়েছেন, উপ-পৌরপ্রধানের কাজ কি হবে, তিনি কি কি কাজ করবেন সেই বিষয়টি সম্পর্কে তাঁকে কিছুই জ্ঞাত করা হয়নি। অন্যদিকে উপ-পৌরপ্রধানের জন্য যে ঘরটি অনুমোদন করা হয়েছিল সেই ঘরটি থেকে উপ-পৌরপ্রধানের ফলকটি উঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেটি বর্তমানে একটি স্টোর রুমে পরিণত হয়েছে। এর থেকেই প্রমাণিত যে কাঁচরাপাড়া পৌরসভায় উপ-পৌরপ্রধান পদের আর কোন গুরুত্ব নেই ! এখানেও পরিষ্কার যে তাকে ঠুঁটো জগন্নাথ করে রেখে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে কাঁচরাপাড়া পৌরসভার কাউন্সিলররা, সিআইসি মেম্বাররা অভিযোগ করেছেন যে, তারা বিভিন্ন পুরো দায়িত্ব পেলেও তাদের বসার জন্য, কর্ম পরিচালনা করার জন্য, জনসংযোগের জন্য কোন ঘর বরাদ্দ করা হয়নি। অদ্ভুত এই প্রক্রিয়ায় পৌরসভা পরিচালিত হচ্ছে। ক্ষমতার দম্ভ দাপটে এই সব ঘটনা চলছে বলে অনেক কাউন্সিলর মনে করছেন।