অবতক খবর,১৮ নভেম্বরঃ আজ জেলা কংগ্রেস কার্যালয় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী আবারও শামশেরগঞ্জের ভাঙ্গন নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি বলেন যে আমি একটা কথা বলে থাকি যে চাপ দিলে সরকার বাপ বলে এটা আমাদের দেশের ভাষা। কাউকে আমি অসম্মান করছি না তবুও বলছি মানুষের চাপ পড়লে সরকার বাপ বলবে।

তিনি এই শামশেরগঞ্জের ভাঙ্গন নিয়ে বলেন যে শামসেরগঞ্জে গিয়ে ওখানে বসে বসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভারতবর্ষের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং এর সঙ্গে কথা বলেছি তখনও তিনি বলেছিলেন যে এই ভাঙ্গনের ব্যাপারে রাজ্য থেকে কোন কিছু বলছে না পরিকল্পনা জমা দিচ্ছে না টাকা চাইছে না। অধীর চৌধুরী বলেন এই কথা যখন গজেন্দ্র সিং বললেন তখন সত্যি খুব খারাপ লাগছিল এবং সঙ্গে সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের দৌলতে তিনি যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এই ভাঙ্গন প্রতিরোধের ব্যাপারে আবেদন করেছিলেন সেটা আবার তুলে ধরলেন।

তিনি এও বলেন যে শামসের গঞ্জে মানুষের সঙ্গে দাঁড়িয়ে এ কথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছিলাম যে বাংলার মুর্শিদাবাদ এবং মালদা র একটা বিরাট অংশ র ভূগোল শেষ হয়ে যাচ্ছে আপনি একবার আপনার সময় বার করে কেন শামসের গঞ্জে আসছেন না? তিনি আবারও বলেন আপনি এখানে আসুন ভূমিহীন মানুষদের সঙ্গে কথা বলুন তাদের সমস্যা জানুন এবং আপনি যথাযথ ব্যবস্থা নিন। অধীর বলেন আপনার এই লড়াইয়ে আমরা সবাই থাকবো তার একটাই কারণ ভাঙ্গন বন্যা কখনো তৃণমূল কংগ্রেস বা কখনো বিজেপি সিপিএম দেখে আসেনা। যেখানে মানুষের ক্ষতি হচ্ছে সর্বস্তরের মানুষ যখন বিপদে পড়ে আছে তখন সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান অধীর করেছেন বলে জানান। তিনি আর সাংবাদিক বৈঠকে বলেন আমি নিজে ভারতবর্ষের সরকারকে তো বলবোই আগেও বলেছি একাধিকবার বলেছি আবার বলবো রাজ্য যদি চাই আমি এবারও প্রস্তাব দিয়েছিলাম যে আমরা যারা এমপি আছি, বাংলায় যারা এম এল এ আছেন তাদের উন্নয়নের যে টাকা যায় সেই টাকা থেকে একটা অংশ নিয়ে একটা আপনারা ফান্ড তৈরি করে ভাঙ্গনের কাজে লাগান।

তিনি আরো বলেন আপনি বারবার বলছেন কেন্দ্র টাকা দেয় না টাকা দেয় না কেন্দ্র কখন টাকা দিবে সে আশায় না বসে থেকে আসুন আমরা সবাই মিলে ভাঙ্গন প্রতিরোধে ঝাঁপিয়ে পরি কেন্দ্র তো অবশ্যই টাকা দিবে তার আগে আমরা এই ফান্ড তৈরি করে ভাঙ্গনের মোকাবিলা করি। তিনিও বলেন আমাদের এমপি ডালু দা তাকে দিয়ে আমি এই ভাঙ্গন প্রতিরোধের জন্য আড়াই কোটি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রতি করিয়েছি। তিনি আবারও বলেন এম পি এম এল এর উন্নয়ন তহবিলের থেকে যদি সবাই কিছু সাহায্য করে তাহলে শামশেরগঞ্জের এই ভাঙ্গন কবলিত মানুষদের বাড়ি ঘর ছেড়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়তে হবে না। অবশ্যই কেন্দ্রের কাছে আমাদের টাকার দাবির লড়াই চলবে বলে তিনি জানান।