গান্ধিজি/তমাল সাহা

আজ ৩০ জানুয়ারি। গান্ধিজির প্রয়াণ দিবসে।
বিতর্কিত গান্ধিজিকে অসম্মান করেন নি নেতাজি। তিনি তাকে জাতির জনক নামে অভিহিত করেছিলেন। স্বাধীনোত্তর ভারতবর্ষে ভূমিপুত্র নাথুরামের গুলিতে প্রথম শহিদ গান্ধিজি।

গান্ধিজি
তমাল সাহা

গোলি মারো শালো কো
গোলি মারো গদ্দারো কো
শুনেছি সরব স্লোগান।
গান্ধিজি কি, কেমন ছিলেন
গাইতেন তো রামধুন গান!

সন্ধানে পাওয়া যায়নি কর্পোরেটি টাকা।
সাবরমতী আশ্রম ছিল শূন্য ফাঁকা।
তবে কেন লুটিয়ে পড়েন ভূতলে
খুন হলেন তিনটি গুলি খেয়ে পিস্তলে!

নেংটিপানা ধুতি, উদোম গা
কখনো বা গায়ে চাদর,
চোখে চশমা, হাতে লাঠি।
তাকে মারতে এত কলকাঠি!

গান্ধিজি কি গদ্দার?
গান্ধিজির নামে কেন এত জমায়েত,
গান্ধিজির নামে কেন এত জনতা?
নাঙ্গা ফকিরে কেন তবে এত টান?
এখনো তার চশমা প্রতীক—
রাষ্ট্র চালায় স্বচ্ছ অভিযান।

কে না জানে রাষ্ট্র স্বচ্ছ না অস্বচ্ছ!
তার পেছনে তো লাগানো কোম্পানি পুচ্ছ।
দূর থেকে দেখছেন ভারতবর্ষ, গান্ধিজি
তিনি বাজারি পণ্য, ভোটের মাল
ক্ষমতার নাচে রাষ্ট্র এখন সুকৌশলী বাঈজি।