খোঁয়াড়/তমাল সাহা 

খোঁয়াড়/তমাল সাহা 

আমার কন্ঠ আমারই তো স্বর।
কি করতে পারে পার্লামেন্ট
আমি যদি হই জন-নির্ভর?

পার্লামেন্ট কি করতে পারে
আমি যদি বিনিদ্র জেগে থাকি
জনতার দুয়ারে?

পার্লামেন্ট বললেই
শুনতে হবে তার বারণ?
এটার পেছনে যুক্তি কি
কি আছে কারণ?

তুমি তৈরি করেছো পার্লামেন্ট
প্রয়োজনে তুমিই ভেঙে দেবে তারে।
তোমার সাহস তোমার স্পর্ধা
দেখাও বারেবারে।

মানুষের কথা যদি না শোনে পার্লামেন্ট
যদি জনবিরোধী হয়
তখন তোমাকে অন্য পথ নিতে হবে
হাতে তুলে নিতে অস্ত্র
ইতিহাস বলে, সুনিশ্চিত তোমার জয়।

লেনিন বলেন,
পার্লামেন্ট! নামটিতে খুব ভার।
আসলে সে তো শুয়োরের খোঁয়াড়
সেটা তোমার জানা ভীষণ দরকারি।

সেখানে মানুষের শুয়োর রূপী চেহারা
তুমি দেখো নি? কী কদর্য!
তুমি কেন তাকে করবে গ্রাহ্য?

কে করতে পারে গণকণ্ঠ রুদ্ধ?
তোমাকে প্রয়োজনে হতে হবে ক্রুদ্ধ।
ভয়! সে তো
নিজের মনে নিজেই তৈরি করো।
কেন ভয়?
তাহলে দুনিয়া জুড়ে
এতো বিদ্রোহ কি করে হয়!

এসো,
হাতে হাত ধরো
হাতে হাত রাখো
গড়ে তুলি সংহতি।
এটাই একমাত্র পথ
চেতনায় দীপ্ত শপথ
এটাই সংঘর্ষ ও নির্মাণের পদ্ধতি।