খড়গপুর শহরের বোগদা স্টেশন সংলগ্ন চায়ের দোকানে চা চক্র সারলেন সাংসদ দিলীপ ঘোষ

অবতক খবর,২৭ জানুয়ারি: শনিবার সাত সকালে খড়গপুর শহরের বোগদা স্টেশন সংলগ্ন চায়ের দোকানে চা চক্র সারলেন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক বিষয়ে রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের।

– বকেয়া নিয়ে এবার চরম হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর।
একশো দিনের টাকা মেটাতে এক সপ্তাহের সময়সীমা। কেন্দ্র-রাজ্য সচিব পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে টাকা না মেটালে বৃহত্তর আন্দোলন। বললেন মমতা।
মমতা ব্যানার্জি ধমকি দেন খালি। হিসাব দেবেনা, চমকাচ্ছেন, টাকা কি ওনার জমিদারি নাকি?

– ফের বিস্ফোরক অনুপম হাজরা। ভোটে লড়তে দল লাগে না। বোলপুর থেকেই লড়াইয়ের চ্যালেঞ্জ। দায়িত্ব নেওয়ার পর ভাল কাজ করছেন কাজল শেখ। বঙ্গ বিজেপিকে কটাক্ষে বিঁধে অনুপমের মুখে কাজলের স্তুতি।
======## উনি কি করছেন উনি ঠিক করবেন, পার্টির কাছে কথা বলুক।

– মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই এখন মনে করছেন, নীতীশ ‘ইন্ডিয়া’ ছেড়ে গেলে জোটের ক্ষতি তো হবেই না, উল্টে লাভ হবে। তৃণমূল সূত্রে খবর, ঘনিষ্ঠ মহলে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন , নীতীশ চলে গেলে ইন্ডিয়ার পক্ষে ভাল হবে। মমতা এ-ও মনে করেন যে, নীতীশ বিহারের জনতার চোখে অপ্রিয় হয়ে পড়েছেন। বেরিয়ে গেলে তেজস্বীদের কাজ করতে সুবিধা হবে।
উনি নিজেকে জোটে থাকবেন? উনি তো বলছেন নিজেই জোটে থাকবেন না, তাহলে ওনার জোট নিয়ে চিন্তাভাবনা কেন, জোট বলে কিছু নেই আমি বলেছিলাম, সব চা খাওয়া পার্টি।

– “২০২৪-র নির্বাচনের আগে এরাজ্যে CAA হবেই, তারপরেই NRC’। রিপাবলিকে একান্ত সাক্ষাৎকারে জানালেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক।
সরকারে আছেন তিনি। তিনি ভাল জানেন, আর তিনি যেটা বলেছেন তা মানুষ বিশ্বাসও করে। দেখা যাক কবে হয় আমরাও অপেক্ষা করছি।

– “দলবদল এবারেও হবে।
তৃণমূল কংগ্রেসে শুধু চোর-ডাকাতই নেই,
কিছু ভালো মানুষও আছেন, যারা নিজেরাও প্রতারিত।
তাদের জন্য বিজেপির দরজা খোলা। দুর্নীতিগ্রস্তদের জন্য নয়”। বলছেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক।নিচুস্তরে সবাই আসতে শুরু করেছে, আর দিদির এই নাটকবাজি দেখে, রাম বিরোধী তার যে পদক্ষেপ, তার পার্টির লোকেরা খুব মর্মাহত হয়েছেন। তারাও হয়তো লোকসভার আগেই ওই দল ছেড়ে দেবেন, কারণ ওই পার্টির কোন ভবিষ্যৎও নাই।

– দক্ষিণ ভারতে চারজন পদ্মভূষণ অ্যাওয়ার্ড এবং পদ্মত তালিকা তে একাধিক ব্যক্তি, টার্গেট কি লোকসভা ভোট? দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে বিজেপি অনেকটা পিছিয়ে. এজন্যই কি এই কৌশল।