অবতক খবর,১১ নভেম্বরঃ কে ছুঁলে কত ঘা সেই ঘা-এর পরিমাণ কত বেড়েছে বর্তমান সময়ে তা পাঠকরা নিজেরাই হিসেব করে নিন।
বাঘে ছুঁলে কত ঘা আগে ছিল? ১৮ ঘা।পুলিশে ছুঁলে কত ছিল? অনেকেই বলেন, ৩৬ ঘা। রাজনৈতিক নেতা ছুঁলে কত ঘা? সেটা কি ৭২ ঘা? এই নিয়ে এই নভেম্বর মাসে অর্থাৎ নভেম্বর বিপ্লবের মাসে আলোড়ন উঠেছে পশ্চিমবঙ্গের গাঙ্গেয় বাতাসে।

হকের চাকরির দাবিতে নেমেছেন, প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন দাবি থেকে বঞ্চিত অরুণিমা পাল। ৮ নভেম্বর তার হাতে কামড়ে বসিয়েছেন এক নারী পুলিশ কর্মী ইভা খাপা। এমনই অভিযোগ উঠেছে এবং ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে তিনি দৌড়ে গিয়ে প্রতিবাদীর হাতে কামড় বসাচ্ছেন। সাগর দত্ত মেডিকেল হসপিটালের রিপোর্ট প্রতিবাদী অরুণিমার হাতের কামড় মানুষেরই দাঁতের কামড়। ফলত পুলিশের কামড়ে ঘা বেড়ে কত হয়েছে তা চিন্তায় ফেলে দিয়েছে সমাজবিদদের।
রাজনৈতিক নেতা যদি কাউকে ছোঁয় তাহলে সেটা বেড়ে কত ঘা হবে তা আঙ্কিক হিসাবে বলা যাবে কিনা তা নিয়েও চিকিৎসাবিদ, সমাজবিদ এবং গণিতবিদরা হিসাবে মেতে উঠেছেন। রাজনৈতিক নেতা যদি তার রাজনৈতিক কর্মীকে বাঘের সঙ্গে তুলনা করেন তবে সেই ঘা এর পরিমাণ বেড়ে আরো কত হবে তা এখনো জানা যায়নি। গবেষণা চলছে।

রাজনৈতিক কর্মী অনুব্রত মণ্ডল পুলিশকে বোমা মারুন বলেছিলেন। মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম তাকে বাঘ বলে ঘোষণা করেছেন। অনুব্রত মণ্ডল যে মন্ত্রী কর্তৃক স্বীকৃত এক বিশাল বাঘ, তা সিবিআই আইনজীবী ১১ নভেম্বর মহামান্য আদালতের কাছে জানিয়ে দিয়েছেন। মহামান্য বিচারক এই তত্ত্ব মেনে নিয়েছেন এবং অনুব্রত মণ্ডলের জামিন নাকচ করে তাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।২৫ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
পুলিশ প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথের অনুধাবন স্মরণযোগ্য। জীবনস্মৃতিতে বোধ করি তিনি পুলিশকে খাঁজকাটা দাঁতওয়ালা কুমিরের সঙ্গে তুলনা করেছেন। কালান্তরে তাঁর প্রবন্ধে পুলিশ সম্পর্কে এমনই বলেছেন একটু এদিক ওদিক হতে পারে, পুলিশ যে চারায় একবার দাঁত বসাইয়াছে উহাতে ফুল ও ফল ধরে না। উহার লালায় বিষ আছে।
লটারি রহস্যের কিনারা করতে আদাজল খেয়ে উঠে পড়ে লেগেছেন সিবিআই গোয়েন্দারা। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে তাদের হাতে এসেছে পাঁচটি লটারি পুরস্কার পাওয়ার তথ্য। টিকিটের তথ্য প্রমাণে দেখা যাচ্ছে শুধু অনুব্রত মণ্ডল নন তার মেয়ে সুকন্যাও বাবার সঙ্গে পাঞ্জা কষে লড়ছেন। জানা গেছে, অনুব্রত দুটি টিকিট পুরস্কার জিতে এক কোটি দশ লক্ষ টাকার মালিক হয়ে গিয়েছেন। অন্যদিকে তার মেয়ে সুকন্যা তিনটি টিকিটে মোট জিতেছেন এক কোটি এক লক্ষ টাকা। প্রথম দুই দফার টিকিটে তিনি পেয়েছিলেন ৫১ লক্ষ টাকা। ফের এক দফায় ৫০ লক্ষ টাকা পেয়ে গিয়েছেন। উল্লেখ্য সুকন্যা মণ্ডল পেশায় একজন স্কুল শিক্ষিকা।

সি বি আইয়ের অনুমান আরও টিকিটের খোঁজ পাবার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনকি অনুব্রত ঘনিষ্ঠদের একাউন্টেও লটারির টাকা ঢুকে থাকতে পারে বলে সিবিআই মনে করছেন।









