অবতক খবর,৪ অক্টোবরঃ র্কাঁচরাপাড়ার ব্যবসায়ীদের বলা হয়েছিল তাদের সুরক্ষার জন্য অর্থাৎ সিসিটিভি লাগানোর জন্য তাদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে এবং দায়িত্ব নিতে হবে।‌ এ তো গেল বাহ্যিক নিরাপত্তার বিষয়টি। কিন্তু ফোন করে যে ব্যবসায়ীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে তার কি হবে?

পুজোর মরশুমে সকলেই আনন্দে মাতোয়ারা। কাঁচরাপাড়া শহরে বহু ছোট বড় পুজো হচ্ছে। দিন দিন শহরে পুজোর সংখ্যা বাড়ছে। এই পুজো উদ্যাক্তারা একদিকে যেমন অনুদান পাচ্ছেন,তেমনি অন্যদিকে ব্যবসায়ীদেরকে ধমকে চমকে তাদের থেকে পুজোর নাম করে তোলাবাজি করছেন।

আমরা তোলাবাজি এই শব্দটির ব্যবহার এই কারণে করছি যে,চাঁদা নেওয়া একরকম আর তোলাবাজি করা আরেকরকম ব্যাপার। ফোন করে হুমকি দিয়ে দুটো নোংরা ভাষা বলে যদি কেউ ব্যবসায়িক থেকে টাকা চায় তবে তাকে তোলাবাজিই বলে।

কাঁচরাপাড়ার দুই একজন ব্যবসায়ীকে ফোন করে হুমকি দিয়ে তাদেরকে বলা হলো যে, পুজোর হচ্ছে চাঁদা দিতেই হবে।

এই বিষয়টি তারা উচ্চ মহলে জানিয়েছেন বলে আমাদের জানান।

তারা বলেন, এই অঞ্চলে আমরা দীর্ঘ বছর ধরে ব্যবসা করছি। যাদের জন্য এই সমস্ত নোংরা কথা আমরা কখনো শুনিনি আমাদের এই সব শুনতে হচ্ছে।‌এটি অত্যন্ত লজ্জার বিষয়।

এখন তারা উচ্চ নেতৃত্বের পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন।

অন্যদিকে ফোন করে যে ব্যবসায়ীদের হুমকি দেওয়া হয়েছে চাঁদার জন্য, বিষয়টি ইতিমধ্যেই গোটা ব্যবসায়ী মহলে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এই ঘটনার পর অন্যান্য ব্যবসায়ীরা যথেষ্টই আতঙ্কিত।

তারা বলছেন, এত বছর তো এরকম কোন ঘটনা ঘটেনি তাহলে এখন এমনটা হচ্ছে কেন? তবে কি আমরা কোন অপরাধ করে ফেলেছি? নাকি এখন এটাই ট্রেন্ড, হুমকি দিয়ে তোলাবাজি করা!