কাঁচরাপাড়ার এক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অভিযোগ পড়ল সাংসদ এবং মুখ্যমন্ত্রীর কাছে….

অবতক খবর,২৫ ডিসেম্বর: কাঁচরাপাড়ার কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অভিযোগ জমা পড়ল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাংসদ অর্জুন সিং-এর কাছে। কাঁচরাপাড়া ১৮ নম্বর ওয়ার্ড রমেশ গোস্বামী রোডের একটি বাড়ি নিয়ে গন্ডগোল দেখা দিয়েছে।। জানা গেছে এই বাড়িতে তিনজন ভাড়াটিয়া রয়েছে। ‌সুরজ সাউ,নন্দিনী গৌড় এবং রাখি শর্মা। এই তিনজন ভাড়াটিয়া। যার মধ্যে রাখি শর্মা ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। রাখি শর্মা পরবর্তীতে বাড়িটি কিনে নিয়েছেন। এই বাড়ির ভাড়াটিয়ারা দীর্ঘ বছর ধরে এই বাড়িতে থাকছেন। এই বাড়িতে তাদের বসবাস প্রায় ৫০-৬০ বছর ধরে। তবে কাঁচরাপাড়া পৌরসভার তরফ থেকে এই বাড়ির সামনে একটি বোর্ড লাগানো হয়েছে। সেই বোর্ড মোতাবেক ওই বাড়িটি বিপদজনক। পাশাপাশি গত ২৩শে নভেম্বর পৌরসভার পক্ষ থেকে এই বাড়িটি ভাঙার জন্য ভাড়াটিয়াদের একটি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। গত ১৪ ডিসেম্বর বিষয়টি কোর্টে ওঠে। কোর্টের নির্দেশ অনুসারে সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। অন্যদিকে এই ভাড়াটিয়ারা কোর্টেই তাদের ভাড়া জমা দেন। কিন্তু গত দুদিন আগে বীজপুর থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে পৌরসভার তরফ থেকে বাড়িটি ভাঙতে আসেন পৌর আধিকারিকরা। এখন বাড়ির ভাড়াটিয়ারা প্রশ্ন তুলেছেন এই বাড়িটি নিয়ে যখন কোর্টে কেস চলছে তাহলে কিভাবে পৌরসভা বাড়িটি ভাঙতে আসে? এদিকে এই বিষয়টি কোর্টে ওঠার পর কোর্টের সেই কপি বীজপুর থানায় এবং একটি কপি পৌরসভাতেও পাঠিয়েছিলেন তারা। তা সত্ত্বেও বাড়িটি ভাঙা হয়। এবার সুরজ সাউ প্রশ্ন তোলেন, তাহলে কি আইন বলে কিছু নেই? রাখি শর্মা কি তবে নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে সবকিছু করতে পারবেন? কোর্টের নির্দেশকেও কি তিনি পরোয়া করেন না?

এই অভিযোগ নিয়ে সুরজ সাউ এবং তার পরিবার ব্যারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং এর কাছে অভিযোগ জানান। অর্জুন সিং তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে তিনি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন।

অন্যদিকে এও জানা গেছে যে, বিষয়টি নিয়ে অর্জুন সিং মারফত অভিযোগ জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ শীর্ষ নেতৃত্বদের কাছেও অভিযোগ জানানো হবে বলে খবর।