এবার প্রথম মালদা জেলায় কলেজে সাঁওতালি ভাষায় অনার্স চালু হয়েছে

অবতক খবর,১৯ জানুয়ারি,মালদাঃ- এবার প্রথম মালদা জেলায় কলেজে সাঁওতালি ভাষায় অনার্স চালু হয়েছে।মালদহের বামনগোলা ব্লকে পাকুয়াহাট ডিগ্রী কলেজে এই বছর থেকে সাঁওতালি ভাষার পঠন পাঠন শুরু।ইতিমধ্যে পাকুয়াহাট ডিগ্রী কলেজে ভর্তি প্রক্রিয়া প্রায় শেষ হয়েছে।উত্তরবঙ্গের প্রথম মালদা জেলাতে সাঁওতালি ভাষায় অনার্স চালু হয়েছে, রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত খুশি সাওতালি আদিবাসী সম্প্রদায় ছাত্র ছাত্রীরা।

উত্তরবঙ্গে এই প্রথম চালু হচ্ছে সাঁওতালি ভাষায় পাকুয়াহাট ডিগ্রী কলেজে সাঁওতালি ভাষায় অনার্স কোর্স চালু সবুজ সংকেত দিয়েছেন রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দপ্তর শুধু কলেজেই নয় এটা গোটা মালদা জেলা ক্ষেত্রেও বড় খবর এই প্রথম পাকুয়াহাট ডিগ্রীকলেজ অনার্স কোর্স চালু হচ্ছে।মালদা জেলার আদিবাসী অধ্যুষিত ব্লক বলতে,হবিবপুর,বামনগোলা,গাজোল ব্লক গুলিকে হিসেবে ধরা। আদিবাসী যুবক যুবতীরা দীর্ঘদিন ধরে সাঁওতালি ভাষায় পাঠান এবং ওই ভাষার অনার্স কোর্স চালু করার দাবি তুলেছেন তারা পড়ুয়াদের দাবিকে মান্যতা দিয়ে কিছুদিন আগে পাকুয়াহাট ডিগ্রী কলেজে কর্তৃপক্ষ রাজ্য উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের কাছে সাঁওতালি ভাষায় অনার্স কোর্স চালু করার প্রস্তাব দেয় সেই প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে ভর্তি প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুজন ঘোষ বলেন, এই কলেজটি আদিবাসীদের এলাকায় অনেকদিন ধরে এলাকার মানুষ কলেজে সাঁওতালি ভাষা অনার্স করছে দাবি করেছিলেন মানুষ দাবি মেনে সরকার রাজ্য সরকারের উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের আবেদন জানিয়েছিলাম মুখ্যমন্ত্রী সেই আবেদন সাড়া দিয়ে সাঁওতালি ভাষা অনার্স চালু করার সবুজ সংকেত দেয়। এই বছর থেকে সাঁওতালি ভাষায় অনার্স চালু হয়ে যাবে বর্তমানে কোন সাঁওতালি ভাষার শিক্ষক নিয়োগ হয়নি বলেই এখন পর্যন্ত পঠন পাঠন চালু হয়নি খুব শীঘ্রই আমরা এই ব্যবস্থা নেব সিট সংখ্যা মাত্র ৩০ টি রয়েছে তার মধ্যে ২৮ জন ভর্তি হয়েছে।কিন্তু এখন পর্যন্ত শিক্ষক শিক্ষিকা না থাকাই পঠন-পাঠন চালু হয়নি।

এ বিষয়ে ছাত্র অমল হেমরম, বিষম সরেন, জানিয়েছে -এই প্রথম পাকুহাট ডিগ্রী কলেজে সাঁওতালি ভাষায় পঠন-পাঠন শুরু হয়েছে খুব খুশি হয়েছি আমরা কিন্তু ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলেও এখনো শিক্ষক শিক্ষিকার অভাবে পঠন-পাঠন চালু হয়নি।এই নিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে কিছুটা মুখ ভার হয়েছে।কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাইলে–কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন খুব শীঘ্রই পঠন-পাঠন চালু হবে শিক্ষক না থাকায় এখনো চালু হয়নি।