অবতক খবর,২১ জানুয়ারি: মালদহ,হাওড়ার পর এবার উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদ। পার্সেল বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল বাহারাইল হাইস্কুলের পাশের ওষুধের দোকান। গুরুতর জখম অন্তত ৩ জন। তাঁরা রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি। কে বা কারা এই ঘটনাটি ঘটাল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

টোটোচালক পার্সেল দিয়ে গেলে তা খুলতেই বিস্ফোরণ, এমনই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদের বাহারাইল গ্রামে। বোমা বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন ৪ জন। আহতদের দ্রুত রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় হেমতাবাদ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। বিস্ফোরণের আগেই টোটো সহ চালক পলাতক। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হেমতাবাদ থানার পুলিশ।

হেমতাবাদের বাহারাইল গ্রামে ওষুধের ব্যাবসা করেন বাবলু চৌধুরী। শুক্রবার বিকেল নাগাদ এক মহিলা যাত্রী নিয়ে এক টোটোচালক বাবলু চৌধুরীর দোকানে আসেন এবং তাঁর একটি পার্সেল আছে বলে জানায়। সেসময় দোকানে ছিলেন বাবলু চৌধুরী। তিনি পার্সেলের প্যাকেটটি হাতে নেয়। পরে বাবলুবাবু পার্সেলটি খুলতেই বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হন ওই দোকানে থাকা তপন রায়, বাবলু চৌধুরী এবং মহম্মদ সফুর। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বাহারাইল গ্রামে। ঘটনার খবর পেয়েই বাহারাইল গ্রামে ছুটে আসে হেমতাবাদ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ব্লক হেমতাবাদের বাহারাইলে সাধারনতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে এমন ঘটনা নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন। ওই টোটোচালক ও মহিলা যাত্রী সহ টোটোর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হেমতাবাদ থানার পুলিশ।

তবে এই প্রথমবার নয়। এর আগেও পার্সেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। গত ২০১১ সালে মালদহের ইংরেজবাজারে পার্সেল বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় এক শিক্ষিকা। ঠিক তার পরের বছর অর্থাৎ ২০১২ সালে একই ঘটনা ঘটে। বাকসাড়ায় পার্সেল বিস্ফোরণে রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটে। এবার সেই একইরকম ঘটনার সাক্ষী উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদের বাহরাইল।