ভোট বিষয়ক:
আমাদের বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র ও অন্যান্য
তমাল সাহা

১)
শ্রীকৃষ্ণ সাধারণত অর্জুনকে
অর্জুন বলে ডাকতো না।
ডাকতো, হে সখা পার্থ!
আমাদের অর্জুন বোঝেনি এর অর্থ।

কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধক্ষেত্রে
যখন অর্জুন করেছিল বেগড়বাই
তখন শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে শুনিয়ে ছিল গীতা।
অর্জুন নয়, পার্থই ছিল তার মিতা।

অর্জুন এসব বোঝেনি
শ্রীকৃষ্ণ পার্থর কাছে গেল চলে
গাণ্ডিবধনুর আঘাতে অর্জুন গেল রসাতলে!

২)
বীজপুরের মানুষ কি এতই অবুঝ?
যে তৃণমূলীরা তলে তলে বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল
তারাই আগেভাগে
খেলে নিল আবীর সবুজ!

৩)
রেশন কা চাল মার দিয়া তো ক্যায়া
নিয়োগ দুর্নীতি, ইলেক্টোরাল বন্ড, দাওয়াই কা দাম- ইলেকট্রিক বিল বাড় গিয়া তো ক্যায়া
ইস্কুল আট হাজার বন্ধ হোগা তো ক্যায়া
রাস্তে পর নোকরি কে লিয়ে বৈঠে হ্যায় তো ক্যায়া
সব ঝুটা হ্যায়

ভোট মে জিত গয়া ভাই
গেরুয়া সবুজ আবির উড়াই
চলো আভি জয় জগন্নাথ জয় শ্রীরাম
বগলি বাজাই!

৪)
মিডিয়াই তুলেছিল হাওয়া
ময়দানে আছে শুধু সবুজ ও গেরুয়া
লাল বলে কিছু নেই
সেই রং গেছে উড়িয়া

তাহলে সারা দেশে কটা লাল?
দুলিতেছে তরী ফুলিতেছে জল
আছে কার হিম্মত কে ধরিবে হাল?

৫)
বাংলাকে নতুন করে জানলাম।
বাংলা চায় ভিক্ষা, বাংলা চায় জগন্নাথ শ্রীরাম।
বিধি বাম, বাংলা তুঝে সেলাম!

৬)
দেখিয়া শুনিয়া ক্ষেপি না আমরা
নীরবে শুধু জ্বলে যায় পিত্ত
হিটলার ও তার স্যাঙ্গাতেরা চালাবে রাজত্ব!